
বাবুল রহমান রবিন
গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি
গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার দক্ষিণ কন্ঝিপাড়া কেতকিরহাট গ্রামে এক অসহায় বিধবা নারীর বসতবাড়ি ভাঙচুর করে জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ফুলছড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েও এক মাসে কোনো প্রতিকার পাননি বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। ভুক্তভোগী মোছাঃ মনজিলা বেগম (৬০) জানান, তার দুই ছেলে জীবিকার তাগিদে দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় কর্মরত আছেন । তিনি একাই বসতবাড়িতে বসবাস করতেন। পরিবারের সদস্যরা ঢাকায় থাকার সুযোগে বাড়ির পেছনে একটি কবরস্থান স্থাপন করা হয়। পরে কবরস্থানে যাতায়াতের রাস্তার অজুহাতে তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা বা অনুমতি ছাড়াই বসতবাড়ির একটি অংশ, বাথরুম এবং কয়েকটি গাছ ভেঙ্গে ও কেটে ফেলা হয়। এছাড়া বাড়ির বিভিন্ন মালামালও নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ভুক্তভোগীর বড় ছেলে মোঃ এন্তাজ আলী অভিযোগ করে বলেন,আমরা গরিব মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় কাজ করি। বাড়িতে শুধু আমাদের বৃদ্ধ মা থাকতেন। আমাদের অনুপস্থিতির সুযোগে বাড়িঘর ভাঙচুর করে দখলের চেষ্টা করা হয়েছে। আমাদের বাড়ি ঘর ভাঙচুর করা হয়েছে আমরা নিজেরাও জানি না, গ্রামের একজন মুঠোফোনে জানান আমাকে। অপর ছেলে মোঃ ইসলাম বলেন, এ ঘটনার বিচার চেয়ে ফুলছড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি। কিন্তু দীর্ঘ এক মাস ধরে থানায় ঘুরেও কোনো সুষ্ঠু তদন্ত বা প্রতিকার পাইনি। আমরা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ ও ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।
অভিযোগে খাস খামার জামে মসজিদের সভাপতি মোঃ হামিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বসতবাড়ি ভাঙচুর, গাছ কর্তন ও অন্যান্য ক্ষয়ক্ষতিসহ প্রায় তিন লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে ভুক্তভোগী পরিবার
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোঃ হামিদুল ইসলামের মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
প্রযুক্তি সহায়তায়: Soft Host
Leave a Reply